জিতেছে পিএসজি মেসিকে ছাড়াই

হাঁটুর ইনজুরির কারণে লিওনেল মেসির জায়গা হয়েছে গ্যালারিতে। তাকে ছাড়াই আরও একটি ম্যাচ খেলেছে পিএসজি। লিগ ওয়ানে মঁপেলিয়েরকে হারিয়েছে ২-০ গোলের ব্যবধানে। ইদ্রিসা ও ড্রাক্সলারের লক্ষ্যভেদে এসেছে তিন পয়েন্ট।

শনিবার রাতে পার্ক দি প্রিন্সেসে নিজেদের দর্শকদের উপস্থিতিতে পুরো ম্যাচে আধিপত্য করেছে নেইমার-এমবাপ্পেরা। বল দখলের পাশাপাশি ম্যাচ ঘড়ির ৪ মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল পিএসজি। দি মারিয়ার লং থ্রু থেকে নেইমার বক্সে ঢুকে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বল মারলেও তা ক্রস বার ছুঁয়ে যায়।

পরের মিনিটে এমবাপ্পের শট গোলকিপার ওমলিন হাঁটু দিয়ে রুখে দেন।

১৪ মিনিটে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এগিয়ে যায় পিএসজি। দি মারিয়ার ব্যাক পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে বা পায়ের বুলেট গতির শটে জাল কাঁপান সেনেগালিজ ইদ্রিসা গে।

গোল শোধ দিতে চার মিনিট পরই ভালো সুযোগ পেয়েছিল মঁপেলিয়ের।

১৮ মিনিটে তাদের এক ফুটবলারের ফ্রি-কিক গোলকিপার নাভাস বা দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দিয়ে দলকে ম্যাচে রাখেন।

৪২ মিনিটে পিএসজির হেরেরার শট ক্রস বারে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়ানো হয়নি।

তিন মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া নেইমারের জোরালো শট গোলকিপার ওমলিন ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন।

বিরতির পরও পিএসজি আক্রমণের পসরা সাজিয়ে মঁপেলিয়েরের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে।

৫৭ মিনিটে এমবাপ্পের শট প্রতিপক্ষের কোজ্জার পায়ে লেগে আর একটু হলেই জালে জড়িয়ে যাচ্ছিল। গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে কোনও মতো কর্নারের বিনিময়ে ফেরান।

মেসিকে ছাড়াই জিতেছে পিএসজি

৬১ মিনিটে মঁপেলিয়ের চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু মাভিদিদিরির শট গোলকিপার নাভাস প্রতিহত করেন।

৬৬ ও ৭২ মিনিটে নেইমার দুটি সুযোগ নষ্ট করেন। প্রথমটিতে নেইমার একক প্রচেষ্টায় পোস্টে ঢুকে গোলকিপারকে একা পেয়েও শট নিতে ব্যর্থ হন।

আর পরেরটিতে ৬ গজ দূরত্ব থেকে ব্রাজিলিয়ানের শট দূরের পোস্ট দিয়ে যায়।

শেষের দিকেও খেলোয়াড় বদল করে পিএসজি সফল হয়েছে। দি মারিয়ার জায়গায় ৮৮ মিনিটে মাঠে নামেন ড্রাক্সলার। নেমেই বক্সে বল পেয়ে গোলকিপারকে বোকা বানাতে ভুল হয়নি তার। ২-০ স্কোরলাইন রেখেই মাঠ ছেড়েছে নেইমার-এমবাপ্পেরা।

উল্লেখ্য, পিএসজি ৮ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে আগের মতো শীর্ষ স্থানে আছে। মঁপেলিয়ের সমান ম্যাচে তৃতীয় হারে আগের ৯ পয়েন্ট নিয়ে ১১তম স্থানে।