দামুড়হুদায় কৃষকদের বজ্রপাত সুরক্ষায় তালের চারা রোপন: ৭টি বজ্র সেল্টার

দেশে বজ্রপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষ ও পশুপাখির মৃত্যুর হারও বাড়ছে।এমন অবস্থায় বজ্রপাতে কৃষকদের প্রাণহানি কমাতে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্দোগে শুরু হয়েছে ব্যাপক হারে তালের বীজ ও চারা রোপন।বজ্রপাত সাধারণত উঁচু কোন কিছুতে আঘাত হানে একারনে এই গাছকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে গড়ে তোলা হয়েছে ৭টি বজ্র সেল্টার।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, মাঠেই বেশির ভাগ বজ্রপাত ঘটে থাকে সে কারনে মাঠের কর্মরত কৃষক ও পশু পাখির মৃতু বেশি হয়ে থাকে। প্রানহনি কমাত উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কবরস্থান ও মাঠের সড়ক গুলোর দুই ধারে চলতি মৈসুমে ১হাজার ১০০শত তালের চারা রোপন করা হয়েছে।২০হাজার তালের বীজ সংগ্রহ করা হয়েছে। এ থেকে চারা তৈরীর কাজ শুরু করা হয়েছে।

এছাড়াও গত মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠের রাস্তা গুলোতে ১হাজার তালের চারা রোপন করা হয়েছে। এর আগের বছর সাড়ে ১১হাজার তালের বীজ রোপন করা হয়। এ পর্যন্ত উপজেলার ১৩হাজার ৬০০ বীজ ও চারা রোপন করা হয়েছে। এবার ২০হাজার তালের বীজ সংগ্রহ করে চারা তৈরী করা হচ্ছে। আগামী মৌসুমে এই চারাগুলো রোপন করা হবে।এছাড়াও উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মাঠে বজ্র সেল্টার নির্মান করা হয়েছে। বর্ষ মৌসুমে বজ্রপাতের সম্ভাবনা দেখা দিলে মাঠে থাকা কৃষকরা সেখানে কিছুটা হলেও নিরাপদে অবস্থান করতে পারে।

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিধ মনিরুজ্জামান জানান,আমাদের দেশে বজ্রপাতে মাঠে কর্মরত ৮৪.৪ শতাংশ কৃষক ও পশুপাখির মৃতু হয়ে থাকে। বজ্রপাত সাধারনত উচ্চু গাছে আঘাত হেনে থাকে। তায় বজ্রপাতে কৃষকদের প্রাণহানি কোমাতে গ্রামের মাঠের রাস্তা গুলোর দুই ধারে তালের চারা ও বীজ রোপন করা হচ্ছে। এপর্যন্ত ১৩৬০০চারা ও বীজ রোপন করা হয়েছে।বর্তমানে ২০হাজার বীজ থেকে চারা তৈরী করা হচ্ছে এগুলো আগামি মৌসুমে রোপন করা হবে। এতে করে মাঠের কৃষকদের প্রণহানীর সংখা অনেকাংশে কুমে যাবে। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ৭টি বজ্র সেল্টার নির্মান করা হয়েছে। বজ্রপাতের সম্ভাবনা দেখা দিলে মাঠের কৃষকরা এসকল স্থানে কিছুটা হলে ও নিরাপদে অশ্রয় নিতে পারবে।