শার্শায় শারদীয় দুর্গাপূজার আমেজ বইছে ২৯টি পূজা মন্ডপে

যশোর জেলার শার্শা-বেনাপোলে বইতে শুরু করেছে শারদীয় দুর্গা পূজার আমেজ। কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা প্রস্তুত কররতে মৃৎ শিল্পিরা।

 

একই ব্যস্ততা ডেকারেটারের লোকজন সহ আয়োজক কমিটির। শরতের আগমনীতে দু:খ দৈন্য নিপীড়িত মর্ত্যলোকের মানব মাঝে মহাশক্তির অধিকারীনিরুপে আবির্ভূত হন শ্রীশ্রী মহামায়া মা দুর্গা। তখন আলোকিত হয়ে ওঠে দশদিশি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবছর শার্শা উপজেলা ব্যাপি ২৯টি সার্বজনীন দুর্গাপুজো শুরু হতে যাচ্ছে। গত ৬ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের আগমন ঘটেছে। ১০ অক্টোবর পঞ্চমীতে বোধন ঘট স্থাপন। ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ, ঠাকুর যাবে বিসর্জন’ ঢাক ও কাসির বাজনা ছাড়াও মায়েদের কপাল সিন্দুরে রাঙানোর মধ্য দিয়ে ১৫ অক্টোবর বিজয় দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গাপুজা।

 

 

উপজেলার বিভিন্ন মন্দির ঘুরে দেখা গেছে-অনেক স্থানে শিল্পীরা মাটির কাজ শেষে প্রতিমা রং করার কাজ চলছে রংঙের পরে তারা পূজা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করবে বলে জানা যায়। বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদ কমিটির শার্শা শাখার সাধারণ সম্পাদক নীল কুমার সিংহ জানান, শার্শা -বেনাপোল মিলে মোট ২৯টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শার্শা সদরে ৬টি, বাগআঁচড়া ইউনিয়নে ২টি, কায়বা ইউনিয়নে ৩টি, উলাশী ইউনিয়নে ২টি, গোগা ইউনিয়নে ২টি, পুটখালি ইউনিয়নে ৩টি, লক্ষণপুন ইউনিয়নে ২টি, বাহদুরপুর ইউনিয়নে ২টি, নিজামপুর ইউনিয়নে ৩টি, বেনাপোল পৌর সদরে ৪টি। তিনি আরও জানান, এবার কয়েকটি মন্ডপে অতিরিক্ত আকর্ষণ থাকায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় থাকতে পারে।

 

 

তবে করোনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ না আসায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। পূজা উদযাপন পরিষদের সাথে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বৈঠক হয়েছে। তারা বলেছেন, মন্ডপ গুলোতে সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেয়া হবে।

 

 

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম জানায়, এবারের দূর্গা পূজায় দর্শনার্থীরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা দর্শণ করতে পারে সেজন্য স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনও কঠোর অবস্থানে থাকবে। যাথাযোগ্য উৎসাহ ও উদ্দীপনা ও আড়ম্বরের সঙ্গে এবার শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ পূজাকে ঘিরে যাতে কেউ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারে সেজন্য প্রসাসনের দিক তিন স্তরের থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান।