সাকিবের ব্যাটে স্বপ্ন চূর্ণ হলো বিরাট কোহলির

আরও একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন চূর্ণ হলো বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর। বরাবরই তারকাসর্বস্ব দল নিয়ে ট্রফি ছুঁতে না পারা ব্যাঙ্গালুরু এবারও ফিরছে আক্ষেপ নিয়ে।

 

শারজায় আজ প্রথম এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে ৪ উইকেটে হেরে প্লে-অফেই থেমেছেন কোহলিরা। সাকিব আল হাসানের কলকাতা এখন ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে।

 

বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আরও একবার পুড়ল আক্ষেপে। কলকাতার কাছে ৪ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়ে শেষ হলো কোহলির আইপিএল অধিনায়কত্বের অধ্যায়। কলকাতা চলে গেছে আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। সেখানে অপেক্ষায় দিল্লি ক্যাপিটালস।

 

সোমবার (১১ অক্টোবর) শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক কোহলি। এই ম্যাচেও কলকাতার একাদশে ছিলেন সাকিব আল হাসান। প্রথম ওভারেই তার হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মরগান। প্রথম ওভারে ৭ রান দিয়ে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেন সাকিবও। নিজের পরের ওভারে এসে দেন মাত্র ৪ রান।

বেঙ্গালুরুকে ভালো শুরু এনে দেন দেবদূত পাড্ডিকেল ও কোহলি। ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটির পর সাজঘরে ফেরত যান পাড্ডিকেল। এরপরই চেপে ধরেন কলকাতার স্পিনাররা। সাকিব, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তীদের ঘূর্ণি সামলাতে পারেননি কোহলিরা।

 

নারিন একাই নেন চার উইকেট। ৪ ওভারে ২১ রান দেন তিনি। এদিকে, উইকেট না পেলেও সাকিব ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ২৪ রান। নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করে ১৩৮ রানে থামে কলকাতার ইনিংস। দলটির পক্ষে ৩৩ বলে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন কোহলি।

জবাব দিতে নেমে ভালো শুরু পায় কলকাতাও। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন ভেঙ্কাটেশ আয়ার ও শুভমন গিল। ১৮ বলে ২৯ রান করে গিল ও ৩০ বলে ২৬ রান করে আউট হন আয়ার। মাঝে ১৫ বলে ২৬ রান করেন নারিন।

 

তার ঝড়ো ইনিংসে কলকাতার জন্য কাজটা সহজ হয়ে আসে। কিন্তু হঠাৎ উইকেট হারিয়ে খেই হারায় কলকাতা। তবে সাময়িক বিপর্যয় দারুণভাবে সামলে নেন সাকিব ও মরগান। ঠান্ডা মাথায় ম্যাচশেষ করেন তারা। মাত্র ৬ বল খেলে ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন সাকিব, এর মধ্যে হাঁকিয়েছেন একটি দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারি। ২ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের দারুণ জয় পায় কলকাতা।