জীবননগরে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্যাতনে জামাই মিঠুন নিহত

দাফন শেষে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধনও প্রতিবাদ সমাবেশ

নিহত মিঠুন। পুরনো ছবি।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাজদিয়া গ্রামে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্মম নির্যাতনের শিকার জামাই মিঠুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫২ দিন পরে মারা গেছে।

 

আজ রবিবার সকাল ৯টার সময় নিহতের লাশ দাফন শেষে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন সহ প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। আজ বেলা ১১টার সময় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন আন্দুলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার, নিহতের বড়ভাই মশিয়ার রহমান, স্থানীয় মেম্বর জহিরুল ইসলাম, মাও.আবু সাইদ, আওয়মীলীগ নেতা আ.খালেক প্রমুখ।

 

পুলিশ ও এলকাবাসী সুত্রে জানা যায়, বাজদিয়া গ্রামের মৃত হোসেন আহমেদের ছেলে নুর নবী মিঠুন তার স্ত্রীকে আনতে গত ২৩ আগষ্ট একই গ্রামে শ্বশুর বাড়ি যায়। এক পর্যায়ে তার স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য সৃষ্ঠি হলে শ্বশুর আশরাফুল ইসলাম জামাই মিঠুনকে বেধড়ক মারপিট করে বাড়ির পাশে সাথে বিদ্যুতের পোলের সাথে বেধে রাখে। এর পরে শ্বশুর বাড়ির অন্য লোকজন এসে ঐ অবস্থায় আবারও কয়েক দফা মিঠুনের উপরে নির্মম নির্যাতন চালায়। সংবাদ পেয়ে মূমূর্ষ অবস্থায় মিঠুনের স্বজনরা তাকে উদ্বার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় সেখানেই তার মৃত্যূ হয়।

 

আজ রবিবার সকালে নিহত মিঠুনের লাশ গ্রামের কবরস্থানে দাফন শেষে বিক্ষুব্ধ সর্বস্তরের মানুষ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে হত্যকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবি করে।