দৌলতপুরে প্রস্তাবিত প্রাগপুর স্থলবন্দর পরিদর্শন, অপেক্ষা বাস্তবায়নের

অর্থনীতি আর অবকাঠামো উন্নয়নে কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর স্থলবন্দরের স্বপ্ন গেল ১৫ বছর ধরে লালন করে আসছেন এই এলাকার মানুষ। ভৌগলিক অবস্থানের দিক দিয়ে এই উপজেলা হয়ে পশ্চিমবঙ্গের সাথে যোগাযোগও বেশ সুবিধাজনক। এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি প্রস্তাবিত এই স্থলবন্দরের ।

 

প্রাগপুর স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার লক্ষে সম্ভাব্যতা যাচাই, জমির প্রাপ্যতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা যাচাই কল্পে রোববার (১৭অক্টোবর) বিকেল চারটায় প্রস্তাবিত স্থলবন্দর এলাকায় পরিদর্শনে আসেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রানালয়ের যুগ্ম সচিব ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, স্ট্রেট অফিসার মোঃ জশিম উদ্দীন, সহঃ প্রকৌশলি মোঃ রুহুল আমিন, দৌলতপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভু’মি) শাহিন আফরোজ খশরু, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাক্কির আহম্মেদ, ১ নং প্রাগপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুজ্জামান মুকুল।

 

প্রাগপুর স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ভারত সরকারের স্বদিচ্ছার কোন কমতি নেই। পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রস্তাবনাটি পাশ করে ইতোমধ্যেই কেন্দ্রে পাঠিয়েছে, বিষয়টি দু’দেশের যৌথ প্রচেষ্টার বিষয়। অচিরেই আমরা প্রকল্পটির বাস্তবায়ন দেখতে পাবো বলে আশাবাদী।

 

আশার কথা হলো সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রী জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন,প্রস্তাবিত প্রাগপুর স্থলবন্দরটি সম্ভাব্য বন্দর তালিকার প্রথমস্থানে রয়েছে। এর আগে,জাতীয় সংসদে উল্লেখযোগ্য আলোচনা ও প্রস্তাবনার আপডেট প্রসঙ্গে জানিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকে আশার কথা বলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ.কা.ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ। তিনি জানান, দৌলতপুরবাসীর প্রাণের আকাঙ্খা ,দীর্ঘ দিনের দাবি প্রাগপুর স্থল বন্দর সারাদেশে প্রস্তাবিত ছ’টি বন্দরের মধ্যে এক নম্বরে আছে। সরকারের উচ্চ মহলে বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে বিবেচ্য রয়েছে।

 

অচিরেই প্রাগপুর স্থলবন্দর বাস্তবায়নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল ধারায় প্রবেশের এই অনন্য ব্যবস্থা পেতে উন্মুখ স্থানীয়রা।
বন্দরটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।