দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চলেছে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল

প্রথমবারের মতো বৈদ্যুতিক ট্রেনের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। রেলপথে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালিয়ে দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উত্তরায় মেট্রোরেলের ডিপোতে বিদ্যুতের সাহায্যে দেশের ইতিহাসে মেট্রোরেলের প্রথম চলাচল দেখানো হয়। এর আগে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির ডিপো এলাকায় রাখা হয়েছে জাপান থেকে আনা মেট্রোরেলের ছয়টি বগি।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চলেছে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল

এই মেট্রোরেল চলেছে বিদ্যুতের মাধ্যমে। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত ট্রেনের যুগে প্রবেশ করল। প্রদর্শনীর জন্য এদিন মেট্রোরেলটি চালানো হয়েছে।

মেট্রোরেলের প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিশেষ উদ্যোগে থার্ড পার্টি ইন্সপেক্টরের মাধ্যমে ইন্সপেকশন সম্পন্ন করে মেট্রো ট্রেন সেট বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রথম মেট্রো ট্রেন সেট গত ২৩ এপ্রিল উত্তরার ডিপোতে এসে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যে রিসিভিং ইন্সপেকশন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ডিপোতে ফাংশনাল টেস্ট চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী আগস্টে ভায়াডাক্টের মধ্যে মেইন লাইনে পারফরমেন্স টেস্ট শুরু করা হবে। ভায়াডাক্টের ওপর পারফরমেন্স টেস্ট সম্পন্ন হলে ইনটেগরেটেড টেস্ট করা হবে। তারপর ট্রেনের ট্রায়াল রান শুরু হবে।’

‘দ্বিতীয় মেট্রো ট্রেন সেটটিও গত ৯ মে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। অনতিবিলম্বে এটি ঢাকায় এসে পৌঁছবে বলে আশা রাখছি।’ মেট্রোরেল এখন আর স্বপ্ন নয়, এটা বাস্তবতা বলেও মন্তব্য করেন সেতু মন্ত্রী।

প্রতিটি মেট্রো ট্রেন সেট ১২০ মিটার লম্বা বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

মেট্রোরেলের উত্তরার ডিপোতে প্রদর্শনীর জন্য মেট্রো ট্রেনটি চালানোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (মেট্রোরেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, এমআরটি লাইন-৬ এর প্রকল্প পরিচালক আফতাব উদ্দিন তালকুদার, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের অ্যাম্বাসেডর, জাইকার কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা।