নাইজেরিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দুই শতাধিক শিশু অপহরণ

নাইজেরিয়ার একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বহু শিক্ষার্থীকে অপহরণ করেছে বন্দুকধারীরা। রোববার দেশটির নাইজার প্রদেশের তেজিনা শহরের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। পরে নাইজার প্রশাসন এক টুইট বার্তায় জানায়, এখন পর্যন্ত দুইশ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। এ সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

নাইজেরিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দুই শতাধিক শিশু অপহরণ

এর আগে নাইজেরিয়ার উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক মাসেরও বেশি সময় আগে ২০ জনকে অপহরণ করা হয়। ৪০ দিন পর ১৪ জনকে মুক্ত করা হয়। এর একদিন পরেই এ ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে করে শহরে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালাতে শুরু করে সাধারণ মানুষ। এরপর বন্দুকধারীরা প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে যায়। সেখানে ছয় থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করে।

মুক্তিপণ আদায়ের জন্য অপহরণের ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে জামফারা স্টেটের জাঙ্গেবে এলাকার একটি আবাসিক স্কুল থেকে প্রায় ৩শ ছাত্রীকে অপহরণ করেছিল অস্ত্রধারীরা। যদিও তাদের বেশিরভাগকেই পরে মুক্তি দেয়া হয়েছিল। গত ডিসেম্বর থেকে নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্যাঞ্চলে শিক্ষার্থী অপহরণের কমপক্ষে ৬টি ঘটনা ঘটেছে।

২০১৪ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় চিবক শহরে ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী বোকো হারাম ২৭৬ জন ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনা ঘটার পর বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও অপহরণগুলো আলাদা কোন চক্র চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।