রাজশাহীর সঙ্গে সব রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ

করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শুক্রবার মধ্যরাত থেকে রাজশাহীর সঙ্গে সব রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

রাজশাহীর সঙ্গে সব রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ
ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১১ জুন মধ্যরাত থেকে ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত রাজশাহী থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী যাত্রীবাহী সব ট্রেন বন্ধ থাকবে। তবে আম পরিবহনের জন্য চালু করা বিশেষ ট্রেন চলাচলও বন্ধ হচ্ছে কি না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় রাজশাহী শহরে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে প্রথমে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তারপর আরও দুই ঘণ্টা এগিয়ে বিকাল ৫টা থেকেই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এই কয়দিন আমরা পর্যবেক্ষণ করছিলাম। কোথাও করোনার নিম্নমুখী সংক্রমণ, কোথাও উর্ধ্বমুখী। কিন্তু উর্ধ্বমুখী সংক্রমণই বেশি। তাই শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত রাজশাহী শহরে সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি জানান, এই লকডাউন চলাকালে রাজশাহী মহানগরে সকল প্রকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তবে ওষুধের দোকান বা অন্যান্য জরুরি সেবার দোকান খোলা যাবে। খাদ্যদ্রব্য, পণ্যবাহী ও জরুরি সেবার যানবাহন চলাচল করবে। এর বাইরে সকল প্রকার যানবাহন যানবাহন ও গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।

বিকাল ৫টা থেকে লকডাউন শুরুর কারণ ব্যাখা করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অনেকে রাজশাহী এসেছেন, তারা চলে যাবেন। কিংবা কারও রাজশাহী আসার প্রয়োজন, সে কারণে শুক্রবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। কারণ, লকডাউনের এই ঘোষণাটি রাতে দেয়া হলো। অনেকে সেটা হয়ত জানতে পারবেন না। শুক্রবার ৫টার মধ্যে মানুষজন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও কিনতে পারবেন।

এ সময় পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল বাতেন, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।