অভিযোগের পরও একাধিক নারী সঙ্গে নিয়ে আত্মগোপনের চেষ্টা করেছিলেন নাসির

আবাসন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনেন চিত্রনায়িকা পরিমনি। এতে নড়েচড়ে বসে সব সংবাদমাধ্যম। সেই অভিযোগের পরও আমোদের জন্য নারী নিয়ে আত্মগোপন করতে চেয়েছিলেন নাসির। গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ নিজের বিনোদনের জন্য অর্থের বিনিময়ে একাধিক নারী সঙ্গী রাখতেন।

অভিযোগের পরও  একাধিক নারী সঙ্গে নিয়ে আত্মগোপনের চেষ্টা করেছিলেন নাসির

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর রাজধানীর উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরে ১২ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাড়িতে ১৮ বছরের লিপি আক্তার, ১৯ বছরের সুমি আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে আত্মগোপনের চেষ্টা করেছিলেন নাসির।

সেখানে অমির সঙ্গে তার গার্লফ্রেন্ড ২৪ বছরের নাজমা আমিন স্নিগ্ধা অবস্থান করছিলেন। 

এদিকে, পরীমনির করা মামলায় উত্তরায় অমির বাসায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তনাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ তাদের তিন নারী সঙ্গীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে অমির বাসায় তল্লাশি চালিয়ে এক হাজার ইয়াবা, বেশ কয়েক বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের (উত্তরা) যুগ্ম-কমিশনার মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, ব্যবসায়ী নাসিরের বিরুদ্ধে আগেও মাদক ও নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে। তিনি উত্তরা ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। কিন্তু নাসিরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে থাকায় তাকে ওই ক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, নাসিরের বিরুদ্ধে কেউ যদি অভিযোগ করে তবে আমরা সেগুলোর তদন্ত করবো।