সাকিবের ১টি চালাকির কারণে নিশ্চিত হারা ম্যাচে জয় পেলো বাংলাদেশ

সাকিবের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জিম্বাবুয়েকে হারালো টাইগাররা। হারারেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বাগিতকদের ৩ উইকেটে হারিয়ে ২-০ তে সিরিজ জিতল সফরকারীরা। আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৪০ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ৫ বল হাতে রেখে সাকিবের অপরাজিত ৯৬ রানে ৩ উইকেটে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। এদিন তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের উদ্বোধনী জুটিতে

সাকিবের ১টি চালাকির কারণে নিশ্চিত হারা ম্যাচে জয় পেলো বাংলাদেশ

সাকিবের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জিম্বাবুয়েকে হারালো টাইগাররা। হারারেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বাগিতকদের ৩ উইকেটে হারিয়ে ২-০ তে সিরিজ জিতল সফরকারীরা।

আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৪০ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ৫ বল হাতে রেখে সাকিবের অপরাজিত ৯৬ রানে ৩ উইকেটে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

এদিন তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩৯ রান। দশম ওভারে লুক জঙ্গুয়ে জুটি ভাঙেন তামিমকে ফিরিয়ে। পয়েন্টে দারুণ এক ক্যাচ নেন সিকান্দার রাজা। ৩৪ বলে ৪ চারে ২০ রানেই ফিরে যেতে হয় বাংলাদেশ অধিনায়ককে।

সেখান থেকে আরো ১১ রান যোগ করতে পড়ে আরো দুই উইকেট। ১৩তম ওভারে লিটনকে ফেরান রিচার্ড এনগারাভা।

আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান লিটন ৩৪ বলে ৪ চারে করেন ২১ রান। চারে নামা মোহাম্মদ মিঠুন টিকতে পারেননি খুব বেশিক্ষণ।

মাত্র ৩ বলে ২ রান করে জঙ্গুয়ের শিকার তিনি। তাতে ১৪ ওভার শেষে ৫০ রানে ৩ উইকেটে পরিণত হয় টাইগাররা।

সাকিব আল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেন জুটি বড় হবে বলে আশা ছিল সমর্থকদের। কিন্তু মোসাদ্দেক ৯ বলে ৫ রান করে রান আউট হলে সেই আশার সমাপ্তি ঘটে। ৭৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে আরো চাপে পড়ে তামিম ইকবালের দল।

পরবর্তীতে মাহমুদউল্লাহ ও সাকিবের জুটিতে আবারো প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে টাইগাররা। ৫৫ রানের জুটির পর ২৬ রান করে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ।

এরপর মিরাজ- আফিফও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৬ রান করে ফেরেন মিরাজ, ২৩ বলে ১৫ রান করে ফেরেন আফিফ।

শেষটা সাইফুদ্দিনকে নিয়ে কোন বিপদ ছাঁড়াই পাড়ি দেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করে ৯৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এই টাইগার সুপারস্টার। সাইফুদ্দিন অপরাজিত থাকেন ২৮ রানে।

তবে শেষের দিকে নিজের অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা দেখিয়েছেন সাকিব আল হাসান। তবে তার জন্য তাকে নিজের ক্যারিয়ারে ১টি সেঞ্চুরি বিসর্জন দিতে হয়েছে।

জয়ের জন্য যখন বাংলাদেশের ৩০ বলে ৩১ রান দরকার তখন সাকিবের খাতায় রান ৮৪ অর্থাৎ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৬ রান দূরে। কিন্তু সে সেঞ্চুরি করার কথা না চিন্তা করে সিঙ্গেল রান নিয়ে গেছেন যাতে উইকেট না হারায়।

এভাবেই গুটি গুটি পায়ের জয়ের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যায় বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ জয় পেলে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয় সাকিব আল হাসান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জিম্বাবুয়ে : ৫০ ওভারে ২৪০/৯ (কামুনহুকামউই ১, মারুমানি ১৩, চাকাভা ২৬, টেইলর ৪৬, মায়ার্স ৩৪, মাধেভেরে ৫৬, রাজা ৩০, জঙ্গুয়ে ৮, মুজারাবানি ০, চাতারা ৪*, এনগারভা ৭*; তাসকিন ১০-০-৩৮-১, সাইফ ১০-০-৫৪-১, মিরাজ ৭.২-০-৩৪-১, শরিফুল ১০-০-৪৬-৪, সাকিব ১০-০-৪২-২, সৈকত ১.৪-০-৭-০, আফিফ ১-০-১১-০)।

বাংলাদেশ : ৪৯.১ ওভারে ২৪২/৭ (তামিম ২০, লিটন ২১, সাকিব ৯৬*, মিঠুন ২, মোসাদ্দেক ৫, মাহমুদউল্লাহ ২৬, মিরাজ ৬, আফিফ ১৫, সাইফ ২৮*; মুজারাবানি ৯.১-১-৩১-১, চাতারা ৭-১-৫২-০, জঙ্গুয়ে ৮-০-৪৬-২, এনগারাভা ৯-১-৩৩-১, মাধেভেরে ১০-০-৩৯-১, রাজা ৬-০-৩৩-১)।

ফল : বাংলাদেশ তিন উইকেটে জয়ী।